এইচআইভির আদি উৎস
ক্যামেরুনের গরিলা ও শিম্পাঞ্জী
৩ মার্চ ২০১৫
|
এইডসের কারণ যে এইচআইভি ভাইরাস - তার
আদি উৎস কি, তা পুরোপুরি বের করতে সক্ষম হয়েছেন বিজ্ঞানীরা।
|
![]() |
| এইচআইভি ভাইরাস |
বিজ্ঞানীদের একটি আন্তর্জাতিক দল আবিষ্কার করেছেন যে
ক্যামেরুনের গরিলা ও শিম্পাঞ্জীই চার ধরণের এইচআইভি ভাইরাস সংক্রমণের মূল উৎস।
বিভিন্ন ধরণের প্রাইমেট বা বানরজাতীয় প্রাণীর ডিএনএ
বিশ্লেষণ করে তারা এই তথ্য পেয়েছেন।
দক্ষিণপশ্চিমাঞ্চলীয় ক্যামেরুনের গরিলা হচ্ছে এইচআইভি
ভাইরাসের 'ও' এবং 'পি' প্রজাতির আদি উৎস।
তা ছাড়া এই ভাইরাসের আরো দুটি প্রকারভেদ আছে - যাকে বলা
হয় 'এম' এবং 'এন' - যার উৎস হচ্ছে ক্যামেরুনেরই এক ধরণের শিম্পাঞ্জী।
এর ফলে বিজ্ঞানীরা এইচআইভি ভাইরাসের সবগুলো প্রজাতিরই
উৎস চিহ্নিত করতে সক্ষম হলেন।
ফ্রান্সের রিসার্চ এন্ড ডেভেলপমেন্ট ইনস্টিটিউটের
মার্টিন পিটার্স বলছেন, এতে বোঝা যাচ্ছে যে প্রাইমেটদের দেহে এমন ধরলের ভাইরাস বাস
করে যা মানবদেহে বড় ধরণের রোগের প্রাদুর্ভাব ঘটাতে পারে।
![]() |
| এইচআইভি-বাহক শ্পিাঞ্জী |
সারা পৃথিবীতে এ পর্যন্ত ৭ কোটি ৮০ লোক এইচআইভি ভাইরাসে
আক্রান্ত হয়েছেন - যার অর্ধেকই মারা গেছেন।
এর মধ্যে 'এম' টাইপের এইচআইভি সংক্রমণই পৃথিবীতে সবচাইতে
বেশি ঘটেছে। এতে আক্রান্ত হয়েছে চার কোটিরও বেশি লোক।
১৯৮০র দশকের প্রথম দিকে এই রোগের সূচনা হয়।
'পি' জাতীয় এইচআইভি ভাইরাসই হচ্ছে সবচাইতে দুর্লভ।
মাত্র দুজন লোকের দেহে এ পর্যন্ত 'পি' ভাইরাস পাওয়া গেছে।






